শিরোনাম
লায়ন্স ক্লাব অব লক্ষ্মীপুর সিটির কমিটি গঠন কুশাখালীতে আমার গ্রাম ফাউন্ডেশনের কমিটি গঠন লক্ষ্মীপুরে অনির্বান ফাউন্ডেশন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের আত্মপ্রকাশ দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন কামাল ভূঁইয়া লক্ষ্মীপুরে সনাকের দুর্নীতিবিরোধী সামাজিক আন্দোলন বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন লক্ষ্মীপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে নিক্বণের নৃত্য প্রতিযোগিতা লক্ষ্মীপুরে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে যুবকের উপর হামলা লক্ষ্মীপুরে ব্যবসায়ীর উপর হামলার অভিযোগ বঙ্গবন্ধু টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন লক্ষ্মীপুর ক্লাব পুকুরদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত
শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ১০:৩২ অপরাহ্ন

লক্ষ্মীপুরে ৯০বছর বয়সী বৃদ্ধের পাশে শাখাওয়াত হোসেন আরিফ

রিপোটারের নাম / ৬৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২২

নিজস্ব প্রতিনিধি: ৬০ বছর ধরে দোকানদারি করেন ৯০বছর বয়সী সেকান্তর মিয়া। দোকানে চা ও কিছু বিস্কুট ছাড়া তেমন কিছু নেই। প্রতিদিন যা বিক্রি হয় তা দিয়েই সংসার চালান তিনি। বিষয়টি নজরে আসে লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য ও যুবলীগ নেতা শাখাওয়াত হোসেন আরিফ এর। বিস্তারিত খোঁজ খবর নিয়ে তার অসহায়ত্বের কথা চিন্তা করে নতুন দোকানঘর তৈরি করে দেন আরিফ। শুধু তাই নয়, দোকান সাজানোর জন্য বিস্কুট, চানাচুর, কেক, ডাল ভাজা, পানীয় সহ বিভিন্ন পন্য কিনে দেন।
সেকান্তর মিয়া লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ২নং দক্ষিণ হামছাদি ইউনিয়নের ইয়ারপুর জমাদার বাড়ির মৃত বদু মিয়ার ছেলে। তার ২মেয়ে ও ১ছেলে রয়েছে। বাড়ির পাশেই ছোট্ট ঝুপড়ি দোকানে ৬০বছর ধরে দোকানদারি করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার বিকালে নতুন দোকানঘর সেকান্তর মিয়াকে বুঝিয়ে দেন শাখাওয়াত হোসেন আরিফ। এছাড়া নিজের হাতে সাজিয়ে গুছিয়ে দেন পুরো দোকান। এতে খুশি সেকান্তর মিয়া।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, স্বাধীনতা স্পোটিং ক্লাবের সভাপতি মোবারক হোসেন, মেহেদী হাসান রিগ্যান, এল মাহমুদ পরান, বাহার উদ্দিন খলিল, রাজু হোসেন, সাহিদুজ্জামান সৈকত, শাকিল, রিফাত, জেবু সহ এলাকাবাসী।

সেকান্তর মিয়া বলেন, আমি দীর্ঘদিন এখানে ভাঙ্গা দোকানে দোকানদারি করতাম। নতুন দোকান পেয়ে আমি খুব খুশি। আরিফ ভাইকে ধন্যবাদ, তার জন্য দোয়া করি।

এলাকাবাসী জানান, সেকান্তর মিয়া এখানে জরাজীর্ন দোকানে দীর্ঘ ৬০বছর ধরে দোকানদারি করেন কোন ভাবে তার সংসার চালায়। দোকানে তেমন কিছু ছিলো না। মাটির চুলায় চা বানিয়ে বিক্রি করতো আর কিছু বিস্কিট ছিলো।

শাখাওয়াত হোসেন আরিফ বলেন, মানুষের জন্য কাজ করতে আমার ভালো লাগে। এরআগেও আমি বিভিন্ন মানুষকে ঘর করে দিয়েছি। বেড়ির উপর একজন কে দোকান ও পন্য কিনে দিয়েছি। এছাড়া সমাজে অসহায় মানুষ বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছি। এটা আমার একটা ভালো লাগা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ