শিরোনাম
লায়ন্স ক্লাব অব লক্ষ্মীপুর সিটির কমিটি গঠন কুশাখালীতে আমার গ্রাম ফাউন্ডেশনের কমিটি গঠন লক্ষ্মীপুরে অনির্বান ফাউন্ডেশন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের আত্মপ্রকাশ দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন কামাল ভূঁইয়া লক্ষ্মীপুরে সনাকের দুর্নীতিবিরোধী সামাজিক আন্দোলন বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন লক্ষ্মীপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে নিক্বণের নৃত্য প্রতিযোগিতা লক্ষ্মীপুরে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে যুবকের উপর হামলা লক্ষ্মীপুরে ব্যবসায়ীর উপর হামলার অভিযোগ বঙ্গবন্ধু টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন লক্ষ্মীপুর ক্লাব পুকুরদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত
রবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪, ০৪:০১ অপরাহ্ন

লক্ষ্মীপুরে জামাইয়ের প্রতারনায় শশুর বিপাকে

রিপোটারের নাম / ২০০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরে জামাইয়ের প্রতারনায় বিপাকে পড়েছে শশুর মোঃ ফজলুর রহমান। মেয়ের জামাই মোঃ আনোয়ার হোসেন মানুষের সাথে প্রতারনা করে পালিয়ে থাকায় বিপাকে রয়েছেন তিনি। পাওনাদাররা টাকার জন্য ফজলুর রহমানকে হয়রানি করছে বলে জানা যায়।

আনোয়ার হোসেন লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ৪নং চররুহিতা ইউনিয়নের চর লামচি গ্রামের মৃত ফজলুল করিমের ছেলে। সে স্ত্রী ফরিদা ইয়াসমিনকে নিয়ে লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের কালু হাজী রোডে ভাড়া থাকতো বলে জানা যায়।

ফজলুর রহমান বলেন, আনোয়ার এর সাথে ২মাস পূর্বে আমার মেয়ের সাথে বিবাহ হয়। আনোয়ার যে একজন প্রতারক এটা আমাদের জানা ছিলো না। বিয়ের পর থেকে সে আমার মেয়ের উপর অমানষিক অত্যাচার করতো যৌতুকের টাকার জন্য। এছাড়া ন্যায্য মূল্যে টিসিবির পন্য দিবে বলে অনেকের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয় সে। সম্প্রতি আমার মেয়েকে কালু হাজী রোডের ভাড়া বাসায় রেখে সে পালিয়ে যায়। তার কাছ থেকে বিভিন্ন মানুষ ৭-৮লাখ টাকা পাবে বলে আমরা ধারনা করছি। এদিকে গত ১৮সেপ্টেম্বর আমার মেয়েকে দেখতে আসলে স্থানীয়রা আমাকে এবং আমার ছেলে আটকে পেলে। পরে বাজারের ব্যবসায়ী নাসির সহ আমাদের থানায় নিয়ে যায়। আনোয়ারকে না এনে দিলে আমাদের ছাড়বেন না। পরে ৫দিনের মধ্যে আনোয়ারকে হাজির করা শর্তে আমাদের ছেড়ে দেন।

লক্ষ্মীপুর বাজারের ব্যবসায়ী নাসির বলেন, আনোয়ার আমার এখান থেকে প্রায় বিভিন্ন মুদি মালামাল নিতো। সে পরিচয় দিয়েছে সাইট কন্ট্রাকটর। গত মাসে সে প্রায় দুই লাখ টাকার মালামাল নেয়। ৫০হাজার টাকা দিয়েছে, বাকি দেড় লাখ টাকা না দিয়ে সে পালিয়েছে। তাই থানায় অভিযোগ করি। যেহেতু তাকে পাচ্ছি না, তাই তার শশুরকেও অভিযুক্ত করি।

এ বিষয়ে জানতে আনোয়ার হোসেন এর মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করেও সংযোগ পাওয়া যায় নি।

লক্ষ্মীপুর সদর থানা পুলিশ বলছে, অভিযোগের আলোকে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ